সালটা ছিল ২০১০,২৯শে মে
। সানডে টাইমসে ছাপা হয় Sarah
Harris এর এক যুগান্তকারী রিপোর্ট, সাথে সাক্ষাৎকার। (রিপোর্টটি সম্পুর্ন পড়া যাবে না যদি না আপনি দি টাইমস / সানডে টাইমস এর পেইড সাস্ক্রাইভড
মেম্বার না হন)। রিপোর্টা ছিল বর্তমান ইউ কে তে ক্রমবর্ধমান মুসলিম জনগোষ্ঠী
ও তুলনামূলক বৃটিশ তরুণীদের মধ্যে ইসলাম ধর্মে ‘প্রত্যাবর্তন’
এর উপর। রিপোর্টটি ছিল তথ্য নির্ভর ও নও মুসলিমদের সাক্ষাৎকার
ভিত্তিক। ফলে পুরো রিপোর্টটি আবেগ বা পক্ষপাত
দুষ্ট থেকে মুক্ত। আমার মনে হয় ঐ রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে অন্য সবাই এই কথা
ব্যাপক প্রচার করেছেন যে ইউ,কে
তে বৃটিশ তরুণীদের মধ্যে ইসলাম গ্রহণ করার হার বেশি। আমি এখন পর্যন্ত ঐ
রিপোর্টের কোন লিংক বা বাংলায় ভাষান্তরিত পূর্ণ রিপোর্টটি কোথাও পড়িনি।
গত সপ্তাহ দুই আগে কয়েকজন মুসলিম তরুণ কে ইংল্যান্ডের একটি
কোর্ট সন্ত্রাসী কাজের পরিকল্পনাকারী হিসেবে দোষী সাব্যস্থ করে। তাদের কে অলিম্পিক
পার্কের নিকটবর্তী একটি টাউন থেকে পুলিশ এরেস্ট করে জুলাই এর ৭ তারিখ, ২০১২,
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী তারা একটি গাড়ি আটক করে ইনস্যুরেন্স
না থাকার কারনে। তখন গাড়ির ভিতর সার্চ করতে গিয়ে পুলিশ আগ্নেয়াস্ত্র সহ ভিবিন্ন
যন্ত্রানাদি পায়।
এইসব নিউজ পড়লে আর মুখ দেখানোর উপায় থাকে না, একে তো মিডিয়া
গুলো মুসলিম কমিউনিটিতে বা মুসলিম নামের কারো পান থেকে চুন খসলেই সংবাদের শিরোনাম
করতে দ্বিধা করে না, সে
ক্ষেত্রে এইরকম ঘটনাতো তাদের কাছে ৭/৭ এর মতো। আর সবচেয়ে মারাত্বক নেতিবাচক প্রভাব
ফেলে আমাদের উপর যখন সেই সব নিউজ প্রথম পৃষ্ঠায় বড় করে ছবিসহ ছাপায়। এতে
শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হওয়ার সম্ভাবনা না থাকলেও মানসিকভাবে লাঞ্ছিত হওয়ার সম্ভাবনা
থাকে শত ভাগ। ‘তারা’ এমনভাবে কথা বলবে
যে যাকে আমরা বলি ‘মিটা
জুতা’ দেওয়া।
এই ব্যাপারটা আসলে বলে বুজাবার না,
ভুক্তভোগী মাত্রই জানে সে যন্ত্রণা কতটা নিষ্ঠুর। ইদানীং অনেক কেই দেখি তাই
সহজে মুসলিম পরিচয় দিতে দ্বিধা বোধ করেন। অবশ্য সেটা তাদের ক্ষুদ্র ব্যাক্তি
স্বার্থের জন্যই করেন বলে আমার কাছে মনে হয়। অনেকে আবার তখন সামনে আনেন বাঙ্গালীত্ব
/ বাংলাদেশিত্ব। যতোটা না দেশবোধ বা জাতীবোধ থেকে তারচেয়ে বেশি এটা করেন
হীনমন্যতার কারনে।
তো,
সবচেয়ে কষ্টদায়ক হচ্ছে সে দোষীদের মধ্যে এমন একজন ছিল যে কিনা নও মুসলিম। শুধু
তাই না উনি, রিচার্ড
ডার্ট, ধর্মান্তরিত
হওয়ার আগে দু বছরের মত মেট্রোপলিটন পুলিশ বিভাগে কাজ করেছেন খুবই দক্ষতার সাথে।
কিন্তু ধর্মান্তরিত হওয়ার পর তাঁর এইরকম চরমপন্থি অবস্থান বেছে নেওয়ায় অন্যদের
কাছে সহজেই এই ক্ষুদ্র অংশ একটি নেগেটিভ
ম্যাসেজ দেয় ইসলাম সম্পর্কে। আমি এর পেছনের কারন, কারা এদেরকে চরম পন্থা বেচে নিতে উৎসাহ দেয় কিংবা এইসব চরম পন্থা
বেচে নেবার পক্ষে ইসলামিক দৃষ্টিভঙ্গি কি,
সেইসব এখানে আলোচনা করতে চাচ্ছি না,
তবে এটুকু বলতে পারি তারা যে দোষী ইউ,কে’র প্রচলিত আইনে, তাতে বিন্দুমাত্র
সন্দেহ নেই। জাস্টিস এর ক্ষেত্রে এখনো এখানকার যে কোন কোর্ট তথাকথিত ইসলামিক দেশের
যেকোনো কোর্টের চেয়ে অনেক বেশি দায়িত্বশীল,
হাতে গোনা দু চারটি ঘটনা ছাড়া।
এইসব শুনে এবং পড়ে মনটা স্বাভাবিক ভাবেই অস্থির থাকে।
একদিকে অমুসলিমরা ইসলামের সুশীতল ছায়ায় আসছে দলে দলে আবার অন্যদিকে আমাদের মধ্য
থেকেই অনেকে জড়িয়ে পড়ছে চরমপন্থি কর্মকাণ্ডে। সেদিন আমার উইন্ডোজ স্কাই ড্রাইভ এ
পুরনো ফাইলগুলো সর্টিং করতে গিয়ে এই রিপোর্টটি চোখে পড়ল। ২০১০ সালেই আমি ম্যাগাজিন
থেকে ঐ অংশটুকু স্ক্যান করে রাখি। ঐ সময়ে আই ফোন থ্রি জি এস দিয়ে স্ক্যান করার
কারণে ততটা পরিষ্কার আসেনি,
কিন্তু পড়া যায় অপেক্ষাকৃত বেশি চোখটার উপর প্রেসার দিয়ে।


তখনই মাথায় আসল এই রিপোর্টটির বাংলা অনুবাদ করলে কেমন হয়? শুরু করলাম
কিন্তু সমস্যা বাধল বাংলা প্রতি শব্দ নির্বাচনে। বাক্যটি আমি বুজতে পারছি কিন্তু
বাংলায় লিখে প্রকাশ করার জন্য যুতসই শব্দ পাচ্ছিনা। কোন কোন ক্ষেত্রে আক্ষরিক
অনুবাদ করতে পারলেও বাক্যের মধ্যে শব্দের বিন্যাস কিছুতেই করতে পারছিনা। তাই, মেনে নিলাম চর্চা
না থাকলে অনেক কিছুই নিজের অনিচ্ছা সত্বেও ছেড়ে দিতে হয়। এবং আরও
রূঢ়ভাবে এই সত্যটাকে মেনে নিলাম অনুবাদ কর্ম সহজ সাধ্য নয়। একটি ভাষা জানলেই যে
তাকে সহজে নিজ মাতৃভাষায় ভাষান্তরিত করতে পারব, এই রকম ভাবটাই বড় একটা বোকামি। যেহেতু আমি প্রফেশনাল
অনুবাদক নই, তাই এই
লেখার সাথে মুল রিপোর্টটির স্ক্যান করা অংশ গুলোও জুড়ে দিলাম। এমনতো হতে পারে আমি
যেমন করে একটি বাক্য কে বুজেছি আসলে সেটি সেরকম বুজায় না। এই সহজ সত্য অনেকে বুজতে
পারেন না বলেই ধর্মীয় ব্যাপারে অতিমাত্রায় ভুল বুজাবুজির প্রাদুর্ভাব।
এই রিপোর্টটিতে
*Joanne
Bailey, solicitor 30,Bradford;
* Aqeela
Lindsay, Housewife & mother 26 leads;
*Sukina Douglas, spoken-word poet,28,
London;
*Catherine Huntley, Retail assistant, 21, Bournemouth;
*Catherine Heseltine, Nursery school, teacher,
31, North London
মোট ৫ জন তরুণীর ইসলামে দীক্ষিত হওয়ার
আগে ও পরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়েছে।
আজ আমি রিপোর্টটির ভূমিকা সহ রিপোর্টটিতে বর্ণিত Joannae Bailely- এর অভিজ্ঞতা আপনাদের জন্য এখানে হুবহু অনুবাদ করে তুলে ধরছি, বাকি চারজনেরটাও
আশা করি আগামী কয়েকদিনের মধ্যে আপনাদের সামনে আনতে পারব আশা করি, তবে শর্ত একটাই, আপনাদের
ফিডব্যাক। ভাল/খারাপ যে কোন ফিডব্যাক ই আমার পরবর্তী অনুবাদ কর্মের সলতেতে তৈল
পাবে বলে আমি বিশ্বাস করি।
MEET THE NEW CONVERTS
মূল
রিপোর্ট - Sarah Harris
ভাষান্তর- সৈ য় দ কা ম রা ন আ হ
মে দ
মুসলিম মেয়েদের মৌলিক হেডস্কার্প হিসেবে হিজাব পরা নিয়ে
বৃটিশ মহিলাদের জন্য এখন একটি বিতর্কিত সময়। গত মাসে ইউরোপিয়ান প্রথম দেশ হিসেবে
বেলজিয়াম বোরকা নিষিদ্ধ করতে আইন পাশ করে,
কারন হিসেবে তারা বোরকা কে মহিলাদের আত্ম সম্মানের প্রতি হুমকি বলে উল্লেখ
করেছে। একি সিদ্ধান্ত নেয়ার পথে ফ্রান্স। এ মাসের প্রথম দিকে একটি পোস্ট অফিসের
বাহিরে নেকাব পরার কারণে একজন মুসলিম মহিলাকে ৫০০ ইউরো জরিমানা করে ইতালি।
বর্তমানে যেখানে মোট জনসংখ্যার ২ শতাংশেরও কম লোক চার্চ অব
ইংল্যান্ডের সাপ্তাহিক প্রার্থনা সভায় অংশ নেয় সেখানে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত
মহিলাদের সংখ্যা ক্রমশ বেড়েই চলছে। রিসেন্ট পার্কে অবস্থিত ‘লন্ডন সেন্ট্রাল
মাসজিদ’ ; যেখানে
নও মুসলিমরা তাদের ধর্মীয় বিশ্বাসের
আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়, তাদের
প্রায় দুই তৃতীয়াংশই মহিলা এবং অধিকাংশের বয়সই ত্রিশ বছরের নীচে।
ধর্মান্তরের পরিসংখ্যান সুনির্দিষ্ট না হলেও ২০০১ সালের
আদমশুমারি অনুযায়ী মুসলিম ধর্মান্তরিত বৃটিশ মহিলাদের সংখ্যা ছিল কমপক্ষে ৩০,০০০। Sawn sea - বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘Central
for Migration Policy Research’ বিভাগের কেভিন ব্রাইস এর মতে এ সংখ্যা বর্তমানে ৫০,০০০ এর কাছাকাছি
এবং অধিকাংশই মহিলা। ব্রাইস নিশ্চিত করেন যে,
প্রাথমিক পর্যালোচনায় দেখা যায় যে,
এই ক্রম বর্ধমান ধর্মান্তরন বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া কুড়ি থেকে ত্রিশ বছরের
তরুণীদের মধ্যে থেকেই হচ্ছে বেশি। Dr
Mohammad Seddon, lecturer in Islamic studies at the university of chester, তিনি তার
এক ব্যাখ্যায় উল্লেখ করেন যে,
‘আমাদের বহুজাতিক ২১ শতাব্দীর মুক্ত সমাজ হচ্ছে এমন, যেখানে আমরা
আমাদের নিজস্ব ক্যারিয়ার,
রাজনৈতিক মতাদর্শ পছন্দ করে নিতে পারি,
বেচে নিতে পারি আমরা কে কোন ধর্ম বিশ্বাসী হব’। ‘আমরা এখন
‘ধর্মীয়
সুপারমার্কেট’ এ বাস
করছি’- বলেন
তিনি।
JOANNE
BAILEY, Solicitor,30,
Bradford.
প্রথমবারের মত আমি যখন অফিসে হিজাব পড়ি, আমি খুবই নার্ভাস
ছিলাম। আমি বাহিরে দাঁড়িয়ে আমার বন্ধুর সাথে অনেক্ষন ফোনে কথা বলছিলাম। দুনিয়া
শুদ্ধ সবাই কি বলবে?
আমি যখন হেটে ভিতরে প্রবেশ করলাম দুজন লোক আমাকে জিজ্ঞেস
করল ‘তুমি কেন
এই স্কার্প পড়েছ। আমি জানতাম না যে তুমি একজন মুসলিম’।
আমি হচ্ছি সেই ব্যাক্তি যাকে ইসলামে ধর্মান্তরিত হওয়ার
ক্ষেত্রে সবার শেষে আশা করা যেতে পারে।
সাউথ ইয়রকশিয়ারে আমি ছিলাম স্থায়ীভাবে বেড়ে উঠা কর্মজীবিদের একজন । এমন কি
ইউনিভার্সিটিতে যাবার আগ পর্যন্ত আমি হঠাৎ কালে ভদ্রে দু একজন মুসলিম দেখেছি।
Barnsley- তে একটি
সলিসিটর ফার্মে আমার প্রথম কর্মজীবন শুরুর দিকে, আমি সচেতনভাবেই চেষ্টা করতাম নিজেকে একজন তরুণ স্বাবলম্বী
হিসেবে দেখতে। অত্যধিক ডায়েটিং, কেনাকাটায়, বারে সময় কাটাতাম, কিন্তু কখনই আমি
সত্যিকার অর্থে স্বস্তি বোধ করতাম না।
তারপর,
২০০৪ সালে, সব কিছু
কেমন পরিবর্তিত হয়ে গেল। আমি আমার এক মুসলিম বন্ধুর সাথে কফি খেতে খতে আলাপ করার
কালে সে আমার গলায় স্বর্ণের ‘ক্রুশ’ দেখতে পায়।
-সে বলল, ‘তুমি স্রষ্টায়
বিশ্বাস কর তাহলে’?
-আমি এটা
ধর্মীয় দিক থেকে নয় বরং ফ্যাশনের জন্যই পড়ি,
আর হ্যাঁ, আমি
স্রষ্টায়ও বিশ্বাস করিনা।
তখন সে তার ধর্মীয় বিশ্বাসের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথাবার্তা
শুরু করল।
প্রথমে আমি তাকে পাত্তাই দিইনি, কিন্তু তার
কথাগুলো আমার মনে গেঁথে গেল। এর কিছুদিন পর দেখি আমি নিজেই অনলাইনে এক কপি কোরআন
শরীফ অর্ডার দিচ্ছি! ‘Leeds
New Muslims Group’ দ্বারা পরিচালিত স্থানীয় একটি মহিলাদের অনুষ্ঠানে যেতে
নিজেকে প্রস্তুত করতে বেশ সময় নিয়েছিল। আমার মনে পড়ে, দরজার বাহিরে
দাঁড়িয়ে আমি তখন ভাবছিলাম
- ‘দুর ছাই, আমি এখানে কি
করছি?’
আমি কল্পনা করছিলাম,
সেখানে থাকবে সবাই পা থাকে মাথা পর্যন্ত কালো কাপড়ে ঢাকা, আমার মত ২৫ বছর
বয়সী স্বর্ণ কেশী ইংলিশ মেয়ের সাথে তাদের কি মিল থাকতে পারে? কিন্তু আমি যখন
ভিতরে প্রবেশ করলাম, দেখলাম
তারা কেউই ঘড়ে আবদ্ধ সচরাচর মুসলিম গৃহিণীদের সাথে খাপ খায় না। বরং তাদের সবাই ছিল
কেউ ডাক্তার, কেউ
শিক্ষক এবং কেউবা মন বিশেষজ্ঞ। আমি তাদের মধ্যে যে পরিতৃপ্ততা আর দৃঢ়তা দেখেছি, তা দেখে স্তম্ভিত
হয়ে গিয়েছিলাম। আমি মুসলিম হতে চাই- এই সিদ্ধান্ত নিতে আমি অন্য যে সকল বই পত্র
পড়ে এগিয়েছিলাম, তার
মধ্যে ঐ যোগসূত্রটাই প্রভাব রেখেছে বেশি।
চার বৎসর পরে ২০০৮ সালে আমি আমার এক বন্ধুর বাসায় আমার নতুন
ধর্ম বিশ্বাসের ঘোষণা দেই। প্রথমে আমি খুবই উদ্বিগ্ন ছিলাম এই ভেবে যে আমি বোধহয়
সঠিক সিদ্ধান্ত নেইনি। কিন্তু খুব দ্রুতই আমি স্বাভাবিক হয়ে উঠি যেমন ঘটে নতুন
একটি চাকরী বা কাজ শুরুর কালে।
এর কিছু মাস পর আমি আমার বাবা মা’র কাছে বসে বললাম
- ‘ তোমাদের
কে আমার কিছু বলার আছে’।
কিছুক্ষণের জন্য নীরবতা নেমে আসল।
তারপর আমার মা বললেন:
-তুমি
মুসলিম হতে যাচ্ছ, তাই নয়
কি?’
তিনি কান্নায় ভেঙ্গে পড়লেন এবং একের পর এক কথা আমার কাছে
জিজ্ঞেস করতে লাগলেন যেমন তুমি বিয়ে করার পর কি হবে, তোমার নিজেকে কি ঢেকে রাখতে হবে, তোমার চাকরীর কি
হবে?
আমি তাকে আশ্বস্ত করার চেষ্টা করলাম যে আমি যা তাই (আমার
মতই) থাকব। কিন্তু তিনি আমার ভাল’র
চিন্তায় অস্থির ছিলেন।
ইসলাম বিষয়ে অধিকাংশ মানুষ যে সকল বিপরীত চিন্তা করে, ইসলাম আমাকে কোন
জবরদস্তি বা নির্যাতন করেনি বরং এটি আমাকে আমার মত হতে সাহায্য করেছে যে রকমটি
ছিলাম আমি আমার জীবনভর। আমার যা আছে সেগুলো নিয়ে এখন আমি আরও বেশি সন্তুষ্ট এবং
কৃতজ্ঞ। কয়েক মাস আগে একটি প্রশিক্ষণ কোর্সে পরিচয় হওয়া একজন মুসলিম আইনজ্ঞের সাথে
বাগদান সম্পন্ন হয়েছে। ক্যারিয়ার বিষয়ে তার সাথে আমার কোন সমস্যাই নেই কিন্তু আমি
মুসলিম পুরুষ ও মহিলাদের মধ্যকার প্রত্যাশিত ইসলামিক নিয়মতান্ত্রিক ব্যবস্থার সাথে
একমত। আমি চাই আমার বাচ্চা ও সন্তানদের দেখাশুনা করতে এবং আমি আমার স্বাধীনতাও
চাই। আমি একজন বৃটিশ হিসেবে গৌরব করি,
একজন মুসলিম হিসেবেও গৌরব বোধ করি। এবং আমি তাদের মধ্যে কোন সাংঘর্ষিক কিছু
দেখি না।